অস্তিত্ব

প্রয়োজনীয়তা কেন্দ্রীক আঁতাত সম্পর্কের তকমা পেলে,
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে, আবেগের সঞ্চার হলে,
স্বার্থকেন্দ্রিক প্রেক্ষাপট দীর্ঘস্থায়ী হলে,
নির্ভরশীলতা বৃদ্ধির সাথে সামাজিক তকমা চাইলে?

পরিস্থিতিকেন্দ্রিক নির্ভরশীলতা দূরত্ব শিথিল করলে,
পরিস্থিতি রচনার কৌশল, আয়ত্ত তখন করালে,
দূরত্বের সাথে আবেগী ভালোলাগার ব্যাস্তানুপাতিক সম্পর্কে,
গঙ্গোত্রী, আবেগী গঙ্গার চেহারাগুলোর দায়ভার কি বহন করতে পারতে?

ভ্রমের রচনা সর্বদাই কি চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে,
অভীষ্ট সিদ্ধ করার নানান উপায়, সমস্ত চরিত্র নির্বিশেষে,
ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে, পথ চয়ন ও পরিকল্পনা,
আবেগী দুর্বলতার জন্মই কি প্রেম নাকি আরো আত্তীকরণের কল্পনা?

চাওয়া পাওয়ার সমীকরণের স্বীকৃত রাস্তা খোঁজা,
দুর্বল সেতুই বোঝে প্রত্যেক গ্রাম ভারের বোঝা,
হারানোর ভয়ে ভীত ও সন্ত্রস্ত মানুষ খোঁজা,
নাকি শক্তিশালীকে বশে হাতের মুঠোয়ে করে রাখা?

চারিত্রিক দিক থেকে শক্তিশালী ছবি বহন করা,
চাইতে যাতে না হয় তার জন্য হুকুমমূলক পরিস্থিতির রচনা করা,
পেয়ে হারানো কে না বুঝে পরে পুনরায় দখল করার তৃষ্ণা,
উদ্দেশ্য অদ্ভুত নয়, আঙুলের ফাঁক পূরণের অভিলাষ,ধরা হাত কি তাহলে ছলনা?

দখল করার বা হোক ক্ষমতার তীব্র বাসনা,
অন্যের মাধ্যমে নিজেকে আরো সমৃদ্ধশালী করে তোলার কামনা,
লড়াই হরেক রকমের, প্রেক্ষাপট নির্বিশেষে হরেক প্রকার নীতি,
সার হিসেবে লড়ে দুটো ব্যক্তিত্ব, আবেগী অভীষ্ট করতে সিদ্ধি,

আচরণের ফারাক যেমন আলাদা নীতির সৃষ্টি করে,
ব্যক্তিত্বের ফারাক গ্রহণযোগ্যতা ও আকৃষ্ট বেশি করে তোলে,
সমস্ত যুদ্ধে জয়ী হওয়া যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য,
মস্তিষ্কের সাথে ব্যক্তিত্বের তালমেল বজায় রাখা জ্ঞানের সাথে করে তোলে অগ্রগণ্য,

ব্যবহৃত হওয়া একটি অনুভূতি যা নিজ ব্যক্তিত্বকে ছোট করে,
কর্ম সম্পাদনের ক্ষমতার সাথে বুদ্ধি ব্যক্তিত্বকে প্রশস্ত করে,
বৃহৎ স্বার্থের দিকে দৃষ্টির সাথে অভীষ্টের দিকে পথের নির্মাণ করে,
লক্ষ্যের দিকে স্বচ্ছতা পারিপার্শিককে ঝাপসা করে,

অন্যকে গুরুত্ব ও সম্মানের বদলে নির্বাক আক্রমণের নীতি,
নিজ ব্যক্তিত্বের দিকে টেনে নিয়ে আসে ঋণাত্মকতার বৃষ্টি,
সমস্ত গল্পের আদর্শ চরিত্রের তকমা সবাই নাই বা পেলো,
তুলনামূলক চিন্তা ও দর্শকের দিকে দৃষ্টি, বিনাশের পথ প্রশস্ত করলো,

ব্যক্তিত্বের জন্ম নাকি মানসিক স্থিতির ওপর নির্ভরশীল,
নিজের সাথে একমাত্র নিজের তুলনার সাথে সৃজনাত্মক প্ররোচনার মিল,
নৈতিকতার বাস্তবায়নে কর্তব্য ও দায়িত্ববোধের ছোঁয়া,
বিন্দু বিন্দুতে বাড়ায় কর্ম, সম্পর্ক ও স্বীকৃতির বোঝা,

দায়িত্ব যেমন বৃদ্ধি করে  কর্মসম্পাদনের হার,
সম্পাদনের ক্ষমতা হ্রাসের সাথে সাথে কদর কমে তার,
ব্যক্তিত্বের মর্যাদার প্রেক্ষাপট যদি না থাকে তৈরী,
বাস্তব পৃথিবীতে হারিয়ে যায় সেই সমস্ত যোদ্ধা, দার্শনিক ও মনীষী। 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s